ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিতরা নির্ধারণ, জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০২-২৫ ১৪:০৯:৪৭
ফিতরা নির্ধারণ, জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ, জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি ১৪৪৭ হিজরি সালের সাদাকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটি। এ বছর জনপ্রতি ফিতরার সর্বনিম্ন হার ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ হার ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশিষ্ট আলেম ও কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ খতীব সাহেবের পক্ষ থেকে ফিতরার এই হার ঘোষণা করেন।

 

ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী সামর্থ্যবান মুসলমানরা আটা, যব, খেজুর, কিসমিস বা পনির—এই পণ্যগুলোর যেকোনো একটির নির্দিষ্ট পরিমাণ বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে প্রদান করতে পারবেন। সেই হিসেবে পণ্যের ও বাজারমূল্যের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

 

আটা: ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম আটার বাজারমূল্য অনুযায়ী সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা।

 

যব: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম যবের মূল্য অনুযায়ী ফিতরা ৫৯৫ টাকা।

 

খেজুর: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম খেজুরের মূল্য অনুযায়ী ফিতরা ২৪৭৫ টাকা।

 

কিশমিশ: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিশমিশের মূল্য অনুযায়ী ফিতরা ২৬৪০ টাকা।

 

পনির: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম পনিরের মূল্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ ফিতরা ২৮০৫ টাকা।

 

তবে স্থানীয় খুচরা বাজারমূল্যের তারতম্য থাকায় নিজ নিজ এলাকার পণ্যের দাম অনুযায়ী ফিতরা আদায় করলেও তা শরিয়তসম্মত হবে। শরিয়াহ অনুযায়ী, ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় যার কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ (সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমমূল্য) থাকবে, তার ওপর নিজের ও পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। ঈদের নামাজে যাওয়ার আগেই এই ফিতরা গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিতরণ করার বিধান রয়েছে।

 

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 


নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ